খোর্শেদ আলম::
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কের পাশে শুকনো ও মরা গাছ দাঁড়িয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো মরে দাঁড়িয়ে থাকায় যেকোনো সময় ডালপালা কিংবা পুরো গাছ ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায় জুড়ী-লাঠিটিলা সড়কের নয়াবাজার এলাকায় ৮টি এবং জুড়ী কলেজ রোডে দুটি গাছসহ মোট ১০টি গাছ মরে গেছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অসংখ্য মরা গাছ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দায়িত্বাধীন সড়কের পাশে থাকা এসব মরা গাছ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জুড়ী-লাঠিটিলা সড়ক ও জুড়ী কলেজ রোড দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি এসব সড়ক ব্যবহার করেন শিক্ষার্থী, পথচারী, ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা মরা গাছগুলো বিশেষ করে ঝড়-বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সময় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। গাছের ডাল ভেঙে যানবাহন বা মানুষের ওপর পড়লে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
স্থানীয় বাসিন্দা আবিদ হোসাইন বলেন, সড়কের পাশে মরা গাছগুলো দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ব্যস্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। কোনো কারণে গাছগুলো ভেঙে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত গাছগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “গাছ কাটার জন্য আমাদের কোনো অনুমতি নেই। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে সে বিষয়ে তদন্তের ব্যবস্থা নিতে পারব।”
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী বলেন, গাছ গুলো অপসারণে কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে, “গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে একটি লিখিত চিঠি দিলে গাছগুলো অপসারণের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখব।”
গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম বলেন, “মরা গাছগুলো অপসারণ করা খুব জরুরি। আমি মৌখিকভাবে একাধিকবার বলেছি, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এবার খুব দ্রুত লিখিত চিঠি পাঠাব। যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন গাছগুলো অপসারণ করা হয়, সেটিই আমার প্রত্যাশা।”
জুড়ীরসময়/ডেস্ক/সাইফ

