জুড়ীতে ১ফ্যানেই ১৪০০ টাকা মুনাফা, ক্রেতা সেজে ভোক্তার জরিমানা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক::

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের  মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আল-আমিনের নেতৃত্বে  জুড়ী উপজেলার কামিনীগঞ্জ বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

বুধবার (২৭ জুলাই) সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত গরম ও লোডশেডিং এর কারণে ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দামে ফ্যান, চার্জ লাইট, চার্জার ফ্যান বিক্রয় করছেন এই ধরণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ  অভিযান পরিচালনা করা  হয়। অভিযানে জুড়ী থানা পুলিশের একটি দল সহায়তা করে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের আগে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মোবাইল টিম ক্রেতা সেজে ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর দাম যাচাই করেন। অভিযানে দেখা যায় ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর ব্যবসায়ীরা চার্জার ফ্যানে ৮০০ থেকে ১,৪০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করেন। অতিরিক্ত দামে ইলেকট্রনিকস পণ্য বিক্রয় করা, যথাযথভাবে ক্রয় ও বিক্রয় ভাউচার সংগ্রহ না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে কামিনীগঞ্জ বাজারে জাপান ইলেকট্রনিক্সকে ৬ হাজার টাকা, সঞ্জয় লীলা ইলেকট্রনিক্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তা আদায় করা হয়।

জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ‌অধিদপ্তরের  মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আল-আমিন বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে সকল ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দামে পণ্য ক্রয় বিক্রয় এবং ভাউচার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি আরো জানান জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


জুড়ীরসময় /ডেস্ক/খুর্শেদ/এবিডি