স্টাফ রিপোর্টার::
মৌলভীবাজারের জুড়ীর কন্টি নদীতে বাঁধ নির্মাণে হুমকির মুখে পড়তে পারে হাজার হাজার একর কৃষি জমি। বাঁধটি অপসারণে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছেন। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে খোঁজ নিয়ে বাঁধটি অপসারণ করা হবে।
জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে কন্টি নদীর রাবার ড্যাম থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার অদূরে কন্টির শেষ অংশে তৈয়ব আলী নামের একজনের নিকট থেকে ১৫ শতক জমি ক্রয় করে মূল নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হয় পলিতে কৃষি জমি ভরাটের জন্য। ঐ অংশেই বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এতে সেখানকার কৃষকরা বলছেন, এতে হাজার হাজার একর কৃষিজমি বিরান ভূমিতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কৃষকরা বলেন, জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহপুর গ্রামের কিছু সংখ্যক লোক নিয়ে এ বাঁধটি নির্মাণ করেন। বাঁধটি নির্মাণের সময় চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন একটি ঘোলা হলেই মূল বাঁধটি কেটে দেওয়া হবে।
শাহপুর এলাকার শাহিন খান বলেন, আমাদের কয়েকটি এলাকার বেশ কিছু জমি গভীর হওয়ায় ফসল উৎপাদন করা যায় না। যার ফলে আমরা কিছু জমি ক্রয় করে এই স্থানে নিজ অর্থায়নে একটি বাঁধ নির্মাণ করি এবং বাঁধের পাশ দিয়ে একটি খাল খনন করি যাতে পলিমাটি এসে আমাদের এই জমি গুলো কিছুটা ভরাট হয়। বাঁধ নির্মাণ, জমি ক্রয় ও খননকাজে আমাদের প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়।
জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মাসুম রেজা জানান, শাহপুরের বেশ কৃষি জমি পতিত থাকায় এলাকাবাসী কিছু জায়গা ক্রয় করে খালটি খনন ও বাঁধটি সাময়িক নির্মাণ করেছেন। প্রয়োজনে যেকোনো সময় বাঁধটি অপসারণ করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আক্তারুজ্জামান বলেন, চলমান নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ অবৈধ। খোঁজ নিয়ে দ্রুত বাঁধটি অপসারণের ব্যবস্থা করব।
জুড়ীর সময়/ডেস্ক/এম
